মৌসুমীকে নিয়ে অপপ্রচার, ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়ে ফারদিনের আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ওমর সানী ও মৌসুমীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে নানা গুঞ্জন। সম্প্রতি তাঁদের একমাত্র ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তিনি কৌশলে পরিবারের সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাসা থেকে মাকে বের করে দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ওমর সানী। এবার মাকে নিয়ে এমন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ফারদিন।
ওমর সানী জানান, তাঁর ছেলে ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন এবং মৌসুমী অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রে তাঁদের কোনো সম্পত্তি নেই বলেও দাবি করেন এই অভিনেতা। ফলে মৌসুমীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার যে খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ওমর সানীর বক্তব্যের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পেজে একই ধরনের বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এবার এসব প্রচারণার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ফারদিন। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে সংশ্লিষ্ট পেজগুলোকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ফারদিন লেখেন, “২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি, তারপরে উকিল নোটিশ এবং মামলা। এই কথা বলার আগে তার কলিজা কতটুকু, সে বাংলাদেশের জন্ম কি না, সেটা আমার দেখা দরকার আছে। আমার মা হচ্ছে আমার মাথার তাজ। অনেক হয়েছে, প্যাকেটে করে বাসায় যাও, এইগুলো ডিলিট করার সময় ২৪ ঘণ্টা, না হলে বাকিটা পরশু দেখা যাবে।”
ফারদিনের ওই পোস্টে ‘জেড টিভি বাংলা’ ও ‘বিনোদন দুনিয়া’ নামের দুটি ফেসবুক পেজের স্ক্রিনশট দেখা যায়। তাঁর অভিযোগ, পেজ দুটিতে ওমর সানী ও মৌসুমীর পরিবারকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছিল। স্ক্রিনশটের পাশাপাশি ‘জেড টিভি বাংলা’র একটি ভিডিও লিংকও শেয়ার করেন তিনি। তবে লিংকটিতে প্রবেশ করে ভিডিওটি আর দেখা যায়নি।
এদিকে ছেলের পোস্টটি নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওমর সানী। এর মধ্য দিয়ে মৌসুমীকে নিয়ে ছড়ানো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ছেলের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এই অভিনেতা।
সব মিলিয়ে, মৌসুমীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুঞ্জন এবং এর বিরুদ্ধে ফারদিনের আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট পেজগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিতর্কিত কনটেন্ট সরিয়ে নেয় কি না, নাকি বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ পর্যন্ত গড়ায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।



.png)
.png)