ঢাকা,  বুধবার
২৮ অক্টোবর ২০২৬

Advertisement
Advertisement

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করে বারবার বিতর্কে, ৫০০ কোটি টাকার মালিক কে এই অভিনেত্রী

প্রকাশিত: ১৮:১২, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করে বারবার বিতর্কে, ৫০০ কোটি টাকার মালিক কে এই অভিনেত্রী

সিডনি সুইনি

সিডনি সুইনি মানেই যেন আলোচনা। কখনো পর্দায় নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে বিতর্ক, কখনো আবার জিনসের বিজ্ঞাপন ঘিরে সমালোচনা—বিভিন্ন কারণে নিয়মিতই খবরের শিরোনামে থাকেন এই মার্কিন অভিনেত্রী। তবে তাঁর জনপ্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন নেই। ‘দ্য হাউসমেইড’ থেকে ‘ইউফোরিয়া’—আলোচিত একাধিক প্রকল্পে অভিনয় করে গত কয়েক বছরে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন তিনি।

আজ ১২ সেপ্টেম্বর সিডনি সুইনির জন্মদিন। এ উপলক্ষে দেখে নেওয়া যাক তাঁর জীবন, সংগ্রাম, ক্যারিয়ার ও হলিউডে উঠে আসার গল্প।

গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা

১৯৯৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের স্পোকেনে জন্ম সিডনি বার্নিস সুইনির। তাঁর শৈশব কেটেছে স্পোকেনের কাছাকাছি ওয়াশিংটন-আইডাহো সীমান্তের গ্রামীণ পরিবেশে। তাঁর মা ছিলেন ক্রিমিনাল ডিফেন্স আইনজীবী এবং বাবা কাজ করতেন হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রিতে।

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ছিল সিডনির। ফুটবল, সফটবল, স্কি ও ওয়েকবোর্ডিংয়ের পাশাপাশি তায়কোয়ান্দো, জুজিৎসু, গ্র্যাপলিং ও কিকবক্সিংও শিখেছেন তিনি। পড়াশোনাতেও ছিলেন মেধাবী। গণিত ও রোবোটিকসের মতো বিষয়েও ছিল তাঁর আগ্রহ।

অভিনয়ের প্রতি আকর্ষণও ছিল ছোটবেলা থেকেই। পরিবারের সদস্যদের সামনে নানা চরিত্রে অভিনয় করতেন এবং নিজের কল্পনার জগৎ তৈরি করতেন। তবে শুরুতে তাঁর মা-বাবা অভিনয়কে পেশা হিসেবে দেখেননি। তাঁদের কাছে বিষয়টি ছিল অনেকটা শিশুর ‘রাজকন্যা হওয়ার’ স্বপ্নের মতো।

অভিনয়ে আসার জন্য পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন!

পরিস্থিতি বদলে যায় তাঁদের এলাকায় একটি স্বল্প বাজেটের সিনেমার শুটিং শুরু হলে। তখন সিডনির বয়স ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। সিনেমাটিতে অডিশন দেওয়ার অনুমতি পেতে মা-বাবার সামনে রীতিমতো একটি পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরি করেন তিনি।

পাঁচ বছরের একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনার মতো করে সেখানে তিনি তুলে ধরেন—কীভাবে অডিশন দেবেন, বিজ্ঞাপন ও ছোট চরিত্রে কাজ করবেন, এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং ধীরে ধীরে হলিউডে পৌঁছাবেন।

মেয়ের এমন পরিকল্পনা দেখে শেষ পর্যন্ত রাজি হন তাঁর মা-বাবা। সেই ছোট সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগও পান সিডনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।

লস অ্যাঞ্জেলেসে সংগ্রামের শুরু

মাত্র ১৩ বছর বয়সে পরিবার নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে চলে আসেন সিডনি। কিন্তু স্বপ্নের শহরে পৌঁছানো মানেই সাফল্য নয়। বরং সেখানেই শুরু হয় কঠিন সংগ্রাম।

একটির পর একটি অডিশন, প্রত্যাখ্যান আর অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। বহু বছর ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘প্রিটি লিটল লায়ার্স’, ‘গ্রেস অ্যানাটমি’, ‘ক্রিমিনাল মাইন্ডস’ ও ‘দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল’-এর মতো সিরিজে দেখা গেলেও বড় সুযোগ পেতে সময় লেগেছে।

সিডনি নিজেই বলেছেন, তাঁর পাঁচ বছরের পরিকল্পনা বাস্তবে পূরণ হতে সময় লেগেছিল প্রায় ১০ বছর। কিশোরী বয়সে বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়া ছিল কঠিন অভিজ্ঞতা। ছোট শহর থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়ে দেখেছেন, একই স্বপ্ন নিয়ে হাজারো তরুণ-তরুণী প্রতিদিন অডিশন দিচ্ছেন। ফলে প্রতিযোগিতাও ছিল তীব্র।

এ সময় তাঁর পরিবারের ওপরও তৈরি হয় বড় ধরনের আর্থিক চাপ। লস অ্যাঞ্জেলেসে থাকা, অডিশন দেওয়া ও অভিনয়ের পেছনে অর্থ ব্যয় করতে গিয়ে পরিবারকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। একপর্যায়ে তাঁর মা-বাবার বিচ্ছেদ হয় এবং পরিবার দেউলিয়াত্বের আবেদনও করে। সিডনি পরে জানিয়েছেন, সেই সময়টা তাঁদের পরিবারের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। তবে কঠিন সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে আরও দৃঢ় করে।

‘ইউফোরিয়া’ বদলে দেয় ক্যারিয়ার

ধীরে ধীরে বড় সুযোগ আসতে শুরু করে। ২০১৮ সালে ‘এভরিথিং সাক্স!’ ও ‘শার্প অবজেক্টস’-এ অভিনয় করে দর্শকের নজরে আসেন সিডনি। এরপর ‘দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল’-এ কাজ করে পরিচিতি বাড়ান।

তবে তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় ২০১৯ সালে এইচবিওর জনপ্রিয় সিরিজ ‘ইউফোরিয়া’ দিয়ে। প্রায় এক যুগের ক্যারিয়ারে এই সিরিজই তাঁকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

সিরিজটিতে ক্যাসি হাওয়ার্ড চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি আলোচনায় চলে আসেন সিডনি। আবেগপ্রবণ, ভঙ্গুর এবং প্রেম ও আত্মপরিচয়ের সংকটে থাকা এক তরুণীর জটিল চরিত্রটি তিনি পর্দায় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তোলেন। এরপর দ্রুতই প্রজন্মের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী হয়ে ওঠেন তিনি।

একই প্ল্যাটফর্মের আরেক জনপ্রিয় সিরিজ ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’ তাঁর পরিচিতি আরও বাড়িয়ে দেয়। এই দুই সিরিজের জন্যই এমি মনোনয়ন পান তিনি। ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’-এর জন্য ২০২২ সালে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে এমি মনোনয়ন তাঁর অভিনয় প্রতিভার স্বীকৃতি আরও শক্ত করে।

গ্ল্যামার নয়, অভিনয় দিয়েও নিজেকে প্রমাণ

শুরুতে অনেকের ধারণা ছিল, সিডনি কেবল গ্ল্যামারাস ও আবেদনময় চরিত্রেই ভালো করতে পারেন। কিন্তু এই ধারণা বদলে দিতে শুরু করেন তিনি।

‘রিয়েলিটি’ সিনেমায় একেবারেই গ্ল্যামারহীন চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা পান। চরিত্রটির মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দেন, শুধু তারকা-ইমেজ নয়, অভিনয়ের গভীরতাও তাঁর অন্যতম শক্তি।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে সিডনি বলেছেন, এমন সময়ও গেছে যখন সপ্তাহে পাঁচ থেকে ১০টি অডিশন দিয়েছেন, কিন্তু একটিতেও ডাক পাননি। তাঁর মতে, বিকল্প পরিকল্পনা থাকলে ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই হাল না ছেড়ে চেষ্টা চালিয়ে গেছেন তিনি।

সিনেমাতেও সাফল্য

টেলিভিশনের পাশাপাশি সিনেমাতেও নিজের জায়গা তৈরি করেছেন সিডনি। কোয়েন্টিন ট্যারান্টিনোর ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম...ইন হলিউড’-এ ছোট চরিত্রে অভিনয় দিয়ে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন। এরপর ‘দ্য ভয়েড’, ‘ইম্যাকুলেট’ ও ‘ম্যাডাম ওয়েব’-এর মতো বিভিন্ন ঘরানার সিনেমায় কাজ করেছেন।

তবে ২০২৩ সালের রোমান্টিক কমেডি ‘অ্যানিবডি বাট ইউ’ তাঁকে বক্স অফিসের বড় তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। গ্লেন পাওয়েলের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনীত সিনেমাটির সাফল্য তাঁর চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করে।

শুধু জনপ্রিয় চরিত্রে আটকে থাকতে চাননি সিডনি। পেশাদার বক্সার ক্রিস্টি মার্টিনের জীবনের ওপর নির্মিত ‘ক্রিস্টি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য কঠোর শারীরিক প্রস্তুতি নেন। বক্সিং প্রশিক্ষণ নেওয়ার পাশাপাশি চরিত্রটির জন্য নিজের চেহারা ও শরীরেও বড় পরিবর্তন আনেন তিনি।

নগ্ন দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক

সিডনি সুইনির ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনার অন্যতম বড় বিষয় তাঁর পর্দায় নগ্ন দৃশ্যে অভিনয়। বিশেষ করে ‘ইউফোরিয়া’ সিরিজে তাঁর অভিনীত কিছু দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছে।

তবে ডেডলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিডনি জানিয়েছেন, আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও চরিত্রের প্রয়োজনে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করা থেকে তিনি সরে আসবেন না।

তিনি বলেন, একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে তাঁকে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে হয়। তাই চরিত্রের প্রয়োজনে চিত্রনাট্যে যা থাকে, তা অনুযায়ী অভিনয় করতে তাঁর আপত্তি নেই।

তবে নিজের শরীর নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা তাঁকে যে অস্বস্তিতে ফেলে, সেটিও জানিয়েছেন সিডনি। কৈশোর থেকেই তিনি এমন কিছু করার চেষ্টা করেছেন, যাতে মানুষ শুধু তাঁর শরীর নয়, তাঁর কাজ ও যোগ্যতা নিয়েও কথা বলে। স্কুলজীবনে খেলাধুলা ও পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার পেছনেও এ ধরনের ভাবনা কাজ করেছে বলে জানান তিনি।

প্রযোজনাতেও সক্রিয়

অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাতেও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন সিডনি। নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফিফটি-ফিফটি ফিল্মসের মাধ্যমে ‘অ্যানিবডি বাট ইউ’ ও ‘ইম্যাকুলেট’-এর মতো প্রকল্পে প্রযোজকের ভূমিকায় ছিলেন তিনি।

অর্থাৎ ক্যামেরার সামনে অভিনয়ের পাশাপাশি ক্যামেরার পেছনেও নিজের ক্যারিয়ারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন এই অভিনেত্রী।

বিজ্ঞাপন ও ব্যবসায় সাফল্য

সিডনির তারকাখ্যাতির আরেকটি বড় উৎস বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড। আরমানি বিউটি, মিউ মিউ, লেনিজ, ফোর্ড, স্যামসাং ও আমেরিকান ইগলের মতো বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।

২০২৫ সালে আমেরিকান ইগলের ‘সিডনি সুইনি হ্যাজ গ্রেট জিন্স’ প্রচারণা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিজ্ঞাপনটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক হলেও সেটি তাঁকে আরও বেশি আলোচনায় নিয়ে আসে।

২০২৬ সালে নিজের অন্তর্বাসের ব্র্যান্ড ‘সির্ন’ চালু করেছেন সিডনি। ব্র্যান্ডটির প্রচারণাতেও নিজের তারকাখ্যাতিকে কাজে লাগিয়েছেন তিনি। জন্মদিনের আগে ‘বার্থডে বুবস’ নামে নতুন কালেকশনের প্রচারণা নিয়েও আলোচনায় এসেছেন।

ব্যক্তিজীবনও আলোচনায়

ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও আলোচনায় ছিলেন সিডনি। ব্যবসায়ী জোনাথন দাভিনোর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্ক ছিল এবং ২০২২ সালে তাঁদের বাগ্‌দান হয়। ২০২৫ সালে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়।

পরে সংগীত ব্যবসায়ী স্কুটার ব্রাউনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসে। ২০২৬ সালে তাঁদের সম্পর্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ্য হয়েছে।

সামনে ব্যস্ত সময়

সিডনি সুইনির ক্যারিয়ারে এখন যেন নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। ‘ইউফোরিয়া’ ও ‘অ্যানিবডি বাট ইউ’-এর সাফল্যের পর শুধু অভিনেত্রী হিসেবে নয়, প্রযোজক হিসেবেও নিজের অবস্থান শক্ত করছেন তিনি।

সামনে তাঁর হাতে রয়েছে বড় বাজেটের সিনেমা, সাহিত্যনির্ভর গল্প, জনপ্রিয় গেম অ্যানিমের চলচ্চিত্র রূপান্তর এবং পুরোনো ক্ল্যাসিকের নতুন সংস্করণ।

এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্প ‘গানডাম’। জাপানি মেচা অ্যানিমে ও ফ্র্যাঞ্চাইজির হলিউড সংস্করণে নোয়াহ সেন্টিনিওর সঙ্গে অভিনয় করবেন সিডনি। ছবিটি বর্তমানে পোস্ট-প্রোডাকশনে রয়েছে এবং ২০২৭ সালে মুক্তির কথা রয়েছে। ছবিটির প্রযোজনার সঙ্গেও যুক্ত তিনি।

এ ছাড়া ‘দ্য হাউসমেইডস সিক্রেট’-এও ফিরছেন সিডনি। পল ফিগ পরিচালিত সিনেমাটি ‘দ্য হাউসমেইড’-এর পরবর্তী কিস্তি। প্রথম ছবিতে মিলি ক্যালোওয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। নতুন ছবিতেও সেই চরিত্রে ফিরছেন সিডনি। তাঁর সঙ্গে থাকছেন কার্স্টেন ডানস্ট। এবার অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনার দায়িত্বেও থাকছেন তিনি।

সাহিত্যনির্ভর ‘দ্য কাস্টম অব দ্য কান্ট্রি’তেও কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। এডিথ ওয়ার্টনের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবিটি লিখছেন ও পরিচালনা করছেন জোসি রুর্ক। এতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী আন্ডিন স্প্র্যাগ চরিত্রে অভিনয় করবেন সিডনি। ছবিটির প্রযোজনাতেও আছেন তিনি।

এ ছাড়া ‘স্ক্যান্ডালাস!’-এ অভিনেত্রী কিম নোভাকের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য যুক্ত হয়েছেন সিডনি। কলম্যান ডমিঙ্গো পরিচালিত এই ছবিতে কিম নোভাক ও ফ্র্যাঙ্ক সিনাত্রার সম্পর্কের গল্প উঠে আসবে।

সব মিলিয়ে ছোট শহরের এক কিশোরীর পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দিয়ে শুরু হওয়া হলিউডের স্বপ্ন আজ অনেকটাই বাস্তব। তবে সিডনি সুইনির গল্প এখনো শেষ হয়নি—অভিনয়, প্রযোজনা ও ব্যবসা, তিন ক্ষেত্রেই সামনে আরও বড় পরিসরে নিজেকে প্রতিষ্ঠার পথেই এগিয়ে চলেছেন তিনি।

Advertisement
Advertisement