ঢাকা,  বুধবার
২৯ মে ২০২৪

Advertisement
Advertisement

সোহেল সীমার সম্পর্কে ফাটল ধরানো কে এই নারী

প্রকাশিত: ১৮:৫৩, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সোহেল সীমার সম্পর্কে ফাটল ধরানো কে এই নারী

সোহেল সীমা

ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল ফ্যাশনজগতের একজন তারতা হওয়ার। স্বপ্নপূরণের জন্য দিল্লি ছেড়ে টিনসেল নগরীতে পা রেখেছিলেন সীমা সাজদে। এই শহর শুধুমাত্র তাঁর কর্মজীবনে সাফল্য আনেনি, এনে দিয়েছিল সীমার জীবনের ভালবাসাকেও। কিন্তু সেই ভালবাসাই তাঁর জীবন থেকে উড়ে যায় অন্য এক তারকার জন্য।

১৯৭৬ সালে ৮ মার্চ দিল্লিতে জন্ম সীমার। বাবা মা এবং ভাই বোনের সঙ্গে দিল্লিতে থাকতেন তিনি। সীমার বাবা একটি বিনোদন সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন।

এক সময় প্রেমে জড়ায় খান পরিবারের সদস্য সোহেলের সঙ্গে। একদিন নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানায় খান পরিবার। সোহেল সীমাকে আমন্ত্রণ জানান। পরিবারের সবার সঙ্গে, বিশেষ করে সোহেলের ভাইবোনদের সঙ্গে ভাল বন্ধুত্ব হয়ে যায় সীমার। কিন্তু সীমার সঙ্গে সোহেলের সম্পর্কের কথা জানতে পেরে আপত্তি জানায় খান পরিবার।

সীমা ভিন্ন ধর্মের, তার উপর আবার ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। খান পরিবার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত হলেও তাঁরা চাইতেন না সোহেলের  জীবনসঙ্গী ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত থাকুক। তাই সীমার সঙ্গে সোহেলের মেলামেশা বন্ধ করে দেয়া হয়। দেখা করতে দেওয়া তো দূরের কথা, সীমার সঙ্গে কথা বলতেও বাধা দিতেন সোহেলকে।

সোহেলের প্রথম ছবি ‘প্যার কিয়া তো ডরনা কয়া’ মুক্তির আগের রাতে সীমাকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। মধ্যরাতে সীমাকে নিয়ে সোজা নিজেদের বাড়িতে আসেন সোহেল। বাড়ির কেয়ারটেকার সীমাকে সঙ্গে নিয়ে সোহেলের বাড়ি আসার খবর জানান সোহেলের বাবা সেলিম খানকে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, সীমাকে তিনি বাড়ির অন্দরমহলে রাখতে রাজি নন। 

কিন্তু সীমাকে ছাড়া সোহেল থাকতে পারবেন না, তা জানিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত সেলিম খান সিদ্ধান্ত নেন, সীমাকে বিয়ে করলেই একমাত্র তাঁর এই বাড়িতে ঠাঁই হবে। সোহেলের বাড়ির কাছেই একটি মসজিদ ছিল। কিন্তু বিয়ে পড়ানোর মতো কোনও ইমাম ছিল না। সোহেলের বন্ধুরা এক ইমামকে অপহরণ করে নিয়ে আসেন। প্রথমে ইমাম ভয় পেলেও পরে যখন দেখতে পান যে তিনি খান পরিবারের বিয়ে দিতে চলেছেন, তখন তিনি আর আপত্তি জানাননি। ১৯৯৮ সালে বাড়ির লোকজন এবং কাছের বন্ধুবান্ধবদের নিয়েই চারহাত এক হয় সোহেল এবং সীমার।

বিয়ের দু’বছর পর পুত্রসন্তানের বাবা হন তারা। তার ঠিক এক বছর পর সারোগেসির মাধ্যমে দ্বিতীয় পুত্রসন্তান কোলে আসে সীমার। সোহেল এবং সীমাকে নিয়ে বলিপাড়ায় নিয়মিত আলোচনা হত। অনেকে তাঁদের বলিপাড়ার শ্রেষ্ঠ জুটির তকমাও দিয়েছিলেন।

বিয়ের পর নিজের কেরিয়ারেও এগিয়ে গিয়েছিলেন সীমা। মুম্বইয়ে নিজস্ব পোশাকের একটি সংস্থা খোলেন তিনি। এমনকি, দুবাইয়েও তাঁর সংস্থার দোকান ছিল। শিল্পা শেট্টি, করিনা কপূর খান, মালাইকা অরোরা, ক্যাটরিনা কইফের মতো নামী তারকাদের পোশাক ডিজাইন করেন সীমা। 

২০১৭ সাল নাগাদ বলিপাড়ায় কানাঘুষো শোনা যেতে থাকে যে, সোহেল এবং সীমা আর এক ছাদের নিচে থাকছেন না। এই জুটির মধ্যে চিড় ধরিয়েছে বলিপাড়ার এক তারকা। হুমা কুরেশির সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন সোহেল।

 ২০২০ সালে নেটফ্লিক্সে ‘দ্য ফ্যাবুলাস লাইভস অব বলিউড ওয়াইভস’ সিরিজ়ে সীমা তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মুখ খোলেন। জানান যে, সোহেল তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকেন। তিনি দুই পুত্রকে নিয়ে আলাদা বাড়িতে থাকেন।

অনেকের মতে, তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। যদিও সোহেল বা সীমা এ নিয়ে নিজেরা কিছু স্বীকার করেননি

 

Advertisement
Advertisement

Notice: Undefined variable: sAddThis in /mnt/volume_sgp1_05/p1kq0rsou/public_html/details.php on line 531