ঢাকা,  রোববার
০৮ নভেম্বর ২০২৬

Advertisement
Advertisement

এইচএসসির সম্পূরক পরীক্ষায় পাস করেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত, সময়সূচি নিয়ে জটিলতা

প্রকাশিত: ১৬:৩৪, ৮ নভেম্বর ২০২৬

এইচএসসির সম্পূরক পরীক্ষায় পাস করেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত, সময়সূচি নিয়ে জটিলতা

এইচএসসির সম্পূরক পরীক্ষায় পাস করেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত, সময়সূচি নিয়ে জটিলতা

উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ বাড়াতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ১ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। তবে সরকারের এ উদ্যোগের সুফল পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কারণ, সম্পূরক পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রাথমিক আবেদন শেষ হয়ে যাবে। ফলে সম্পূরক পরীক্ষায় পাস করলেও এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করার সুযোগ পাবেন না অনেক শিক্ষার্থী।

শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের একটি বছর বাঁচাতে দ্রুত সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ ইতিবাচক। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় না করায় সেই উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের মতে, সম্পূরক পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময়সূচি সমন্বয় করা প্রয়োজন ছিল। তা না হলে একদিকে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, অন্যদিকে সরকারের ভালো উদ্যোগটিও প্রত্যাশিত সুফল দিতে পারবে না।

শিক্ষা বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রথম সারির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাগ্রহের কারণে এবার সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সব প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ নাও পেতে পারেন। যদিও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে তাঁদের ভর্তির সুযোগ থাকবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, এবারই প্রথম ফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। তাই কিছু ঘাটতি থাকতে পারে। তবে আগামী বছর থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করছেন।

পুনর্নিরীক্ষণের ফল নিয়েও জটিলতা

সম্পূরক পরীক্ষা নিয়ে আরেকটি জটিলতা তৈরি হয়েছে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের সময়সূচি ঘিরে। কোনো শিক্ষার্থী তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। পরে পুনর্নিরীক্ষণে এক বা দুই বিষয়ে পাস করলে তিনি সম্পূরক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ফরম পূরণের সময়সীমা নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির ঘোষণা অনুযায়ী, পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২৩ নভেম্বর। অন্যদিকে সম্পূরক পরীক্ষার ফরম পূরণের শেষ সময় ৯ নভেম্বর। অর্থাৎ পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই ফরম পূরণের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফলে পাস করেও কোনো কোনো শিক্ষার্থী সম্পূরক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রামের এক ব্যক্তি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর এক প্রতিবেশীর কয়েকজন সন্তান এবার এইচএসসি পরীক্ষায় দুই বা তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। তাঁদের কেউ কেউ ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। পুনর্নিরীক্ষণে তিন বিষয়ের মধ্যে এক বা দুই বিষয়ে পাস করলে তাঁরা সম্পূরক পরীক্ষার যোগ্য হবেন। কিন্তু ফরম পূরণের সময় শেষ হওয়ার পর ফল প্রকাশিত হলে তাঁরা কীভাবে পরীক্ষায় অংশ নেবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানূ প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সব ব্যবস্থাই থাকবে।

কেন নেওয়া হচ্ছে সম্পূরক পরীক্ষা

গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।

এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। তাঁদের মধ্যে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন।

সাধারণত এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরের বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলো অথবা ইচ্ছা করলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। ফলে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণেও একজন শিক্ষার্থীকে পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে হয়।

এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবার ফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা শুরু হবে। নিয়মিত ও অনিয়মিত—উভয় ধরনের পরীক্ষার্থীরাই এতে অংশ নিতে পারবেন।

গত ৫ নভেম্বর থেকে পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয়েছে, চলবে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত। ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ১০ নভেম্বর। তত্ত্বীয় প্রতিটি পত্র বা বিষয়ের ফরম পূরণ ফি ১২৫ টাকা এবং ব্যবহারিক প্রতিটি পত্র বা বিষয়ের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্র ফি ৪৫০ টাকা।

পরীক্ষার ফরম পূরণের নামে অতিরিক্ত ফি আদায় না করার নির্দেশ দিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। গত ৫ নভেম্বর জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন শেষ হবে আগেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১১ নভেম্বর। আবেদন চলবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত। পাঁচটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর, কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ১৯ ডিসেম্বর, চারুকলা ইউনিটের ২২ ডিসেম্বর, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ২৬ ডিসেম্বর এবং আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেন, সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভালো উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তাঁদের পাস করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। আগে প্রতিটি আসনের বিপরীতে প্রায় ৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিতেন। বর্তমানে এ সংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ জন। এরপরও ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশ পাস নম্বর পান না। তাঁর মতে, সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও তাঁরা খুব বেশি লাভবান হবেন না।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষে ভর্তির প্রাথমিক আবেদন শুরু হবে ১২ নভেম্বর। আবেদন চলবে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ৮, ৯ ও ১৬ জানুয়ারি। ওই তিন দিনে যথাক্রমে বি, সি ও এ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি। বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির প্রধান অধ্যাপক কামরুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, কবে থেকে আবেদন নেওয়া শুরু হবে, তা এখনো একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদন হয়নি। তবে ২০ নভেম্বরের পর আবেদন শুরু হতে পারে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ পর্যন্ত তাঁরা সব সময় অপেক্ষা করেন। এবারও তা করা হবে।

তবে সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। অধ্যাপক কামরুল হাসানের বক্তব্য অনুযায়ী, বুয়েটে অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। এ অবস্থায় সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সুযোগ দিয়ে খুব বেশি লাভ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক সম্মান ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর। আবেদন চলবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

অর্থাৎ ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাথমিক আবেদনের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সম্পূরক পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা নেই। যদিও এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে পরে, তবু প্রাথমিক আবেদনের যোগ্যতা নির্ধারণের সময় সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ থাকছে না। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও একই সময়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলে এ ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে।

উচ্চশিক্ষায় আসন খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি

ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে এবার উচ্চশিক্ষায় মোট আসন রয়েছে প্রায় ১৪ লাখ ৯২ হাজার। এর মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ১০ লাখের বেশি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় চার লাখের বেশি আসন রয়েছে। এ হিসাবে উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হলেও ৮ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি আসন খালি থাকার কথা।

এ অবস্থায় উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ বাড়াতে সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি সমন্বয় করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে পাস করা শিক্ষার্থীদেরও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যথায় দ্রুত পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ সত্ত্বেও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় ভর্তির গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

এ বিষয়ে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, পুরো বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। সরকারের সদিচ্ছার কারণেই এবার ফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সেশনজটের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হয়েছে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় এবার এ সুযোগ না দিলেও আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ রয়েছে। সম্পূরক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সেসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন বলে তিনি আশা করেন।

Advertisement
Advertisement

আরো পড়ুন