ঢাকা,  সোমবার
২২ এপ্রিল ২০২৪

Advertisement
Advertisement

৭টি সহজ অভ্যাসে পাল্টে যাবে আপনার জীবন

প্রকাশিত: ১৭:০৮, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আপডেট: ১৯:৪৪, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

৭টি সহজ অভ্যাসে পাল্টে যাবে আপনার জীবন

মানুষ অভ্যাসের মাধ্যমে পাল্টে দিতে পারে তার জীবন। আমাদের সমাজে মূলত দুই ধরনের মানুষ বসবাস করে। এক. সবকিছুর মধ্যে নেগেটিভিটি খুঁজেন। আর দুই. সবকিছুর মধ্যে সুন্দর বিষয় দেখেন। নিরাশার মধ্যে আসার খোঁজ করেন। অন্ধকারের মধ্যে আলো দেখেন। যারা নেগেটিভিটি বাইয়েজড, তারা সবকিছুর মধ্যে নেগেটিভিটি খুঁজেন। একটু যদি খারাপও কিছু থাকে তবে তার ভালো গুণটা দেখে সে বলে না খুব চমৎকার হয়েছে।

পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গিকে বলা হয় সফলতার প্রথম সোপান। আপনি সফল হবেন কি বিফল হবেন কোনো একটা কাজে। এটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক করে দেবে। আপনি দুঃসাধ্য কোনো বিষয়কে জয় করে অনেক বাধা বিঘ্নকে অতিক্রম করে সামনে গেলেই তো সফল হতে পারবেন। আর যদি আপনি শুধু খুঁত ধরতে থাকেন। একটা জিনিসের মধ্যে শুধু দোষ খুঁজতে থাকেন। তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন না।

আপনি যদি ৭টি সাধারণ বিষয় ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োগ করেন তাহলে সফল হতে কষ্ট করতে হবে না।

এক নম্বর- যখন আমরা কোনো একটা সিদ্ধান্ত নেন, যে আমরা এই কাজটি করবো। তখন পুরো ইউনিভার্স আপনার লক্ষ্য পূরণে আপনাকে সহায়তা করে। আপনি যদি সিদ্ধান্ত নেন, যে আপনি পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হবেন। তবে দেরি নয়, আজ থেকে, এখন থেকে আপনি মনে সেটা লালন করুন। কেউ আপনাকে যখন বলবে যে, আপনি এটা পারবেন না। তখনই আপনার ভিতরে এক শক্তি জেগে উঠবে যে, না আমি এটা পারবো। কে বলেছে আমি পারবো না। আমি পারবো কি না পারবো তুমি বলার কে? এই মানসিকতা গড়ে উঠলেই সফল হওয়া সম্ভবন।

দুই নম্বর- নেতিবাচক মানুষ  থেকে দূরে থাকুন। আপনি দেখবেন যে, নেগেটিভিটি মানুষে পরিপূর্ণ। বেশিরভাগ লোকই নেগেটিভ। আপনি চেষ্টা করবেন, নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির যারা মানুষ তাদের থেকে দূরে থাকতে। এবং যারা পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা করেন, যারা পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গিকে লালন করেন তাদের সাথে মিশতে। কারণ আপনি যার সাথে মিশছেন, আপনার আচার আচরণ আস্তে আস্তে তার মতো হয়ে যায়।

তিন নম্বর- প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে জেগে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে আপনি নিজেকে বলুন। আমি পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির চর্চা করব। আপনি সব কিছুর মধ্যে সম্ভাবনা খুঁজবেন। যে নগরী আগুনে পুড়ে গেছে, তার মধ্যে আপনি নতুন শহরের স্বপ্ন দেখবেন। আপনি ব্যর্থতার মধ্যে সফলতা খুঁজবেন। তাহলে আপনি গ্রাজুয়েলি পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মানুষ হিসেবে রূপান্তরিত হবেন।

চার নম্বর- নিজেকে পরিস্থিতির শিকার বলে মনে করবেন না। অনেকে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সবসময় অন্যকে দায়ী করে। আমি সুখী হতে পারিনি, কারণ তুমি আমাকে সুখী হতে দাওনি। অভিযোগ সব সময় অন্যের দিকে।  এইরকম মানুষ থেকে খুব হুঁশিয়ার। এরা প্রচন্ড বিষাক্ত মানুষ।

পাঁচ নম্বর- নিজের মনের উপরে চাপ আসে এমন কোনো বিষয় বা জায়গা এড়িয়ে চলুন। কোনো একজন মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, সেই সম্পর্কটা বিচ্ছেদ হয়েছে। মাঝে মাঝে তার সাথে দেখা হয়, দেখা হলেই আপনার মন কষ্টে ভরে যায়। অথবা কোনো জায়গা আছে, যে জায়গা একসময় আপনাকে অনেক শান্তি দিয়েছে। এখন সেখানে গেলে আপনার মন অশান্তিতে ভোরে ওঠে। এই নেতিবাচক অনুভবগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

ছয় নম্বর- অন্যদের সাথে নিজের তুলনা করবেন না। পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা। আপনার মত মানুষও আর কেউ নেই, কেউ আসবে না। সবাই ইউনিক, সবার গুণও আলাদা। মানুষ যেমন দেখতে আলাদা, সবার ব্যবহারও আলাদা। এই জন্য অন্য একজন খুব ভালো করছে বা অন্য একজন খারাপ করছে, তার সাথে আপনি নিজেকে মিলাবেন না, নিজের তুলনা করবেন না।

সাত নম্বর- ক্ষমা করতে শিখুন। সবচেতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হচ্ছে মানুষকে ক্ষমা করতে শেখা। আপনার প্রতি বিভিন্ন ধরনের অন্যায় বিভিন্ন মানুষ করেছে। আপনি আপনার জীবনের ঘটনাগুলো মনে পরলে অনেক কিছু পাবেন। এদেরকে আপনি মাফ করে দিন। তাতে যেটা উপকার হবে আপনি নিজে ভারমুক্ত হবেন। ক্ষমা আপনার জীবনকে সুন্দর করতে পারে। সমাজকে সুন্দর করতে পারে। আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পজিটিভ করতে সহায়তা করতে পারে।

Advertisement
Advertisement

Notice: Undefined variable: sAddThis in /mnt/volume_sgp1_05/p1kq0rsou/public_html/details.php on line 531