ঢাকা,  মঙ্গলবার
১৩ অক্টোবর ২০২৬

Advertisement
Advertisement

সৌদির বিমানবন্দরে ফের হুথিদের হামলায় নিহত ১, আহত ১১

প্রকাশিত: ১০:২৭, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সৌদির বিমানবন্দরে ফের হুথিদের হামলায় নিহত ১, আহত ১১

সৌদির বিমানবন্দরে ফের হুথিদের হামলায় নিহত ১, আহত ১১

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টানা দুই দিন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। রোববার (১১ অক্টোবর) দ্বিতীয় দফার হামলায় অন্তত একজন পাকিস্তানি নাগরিক নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সৌদি সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, রোববারের হামলায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হানে। এতে যাত্রীদের একটি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে পাকিস্তানি এক নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে শনিবার একই বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৩ জন নিহত এবং ৩০৮ জন আহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি, চার সৌদি নাগরিক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, মিসর ও ভারতের নাগরিক ছিলেন।

হুথি বাহিনীর সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি টানা দুই দিনের হামলার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, মক্কা ও মদিনা ছাড়া সৌদি আরবের অন্যান্য বিমানবন্দর ও আকাশসীমা তাদের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। দাম্মাম বিমানবন্দর ও বিভিন্ন তেল স্থাপনাতেও হামলা চালানোর দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

ইয়াহিয়া সারি জানান, ইয়েমেনের সানা বিমানবন্দরে সম্প্রতি সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলার জবাব দিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি হুথিদের হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়ে কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি প্রশাসনের মধ্যে সংলাপ সহজতর করতে তেহরান সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে হুথি ও সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। হুথিরা বর্তমানে ইয়েমেনের উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। সৌদি আরবের আশঙ্কা, দেশটির দক্ষিণ সীমান্তে ইরানের প্রভাবাধীন একটি সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

Advertisement
Advertisement